উৎসব লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
উৎসব লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ৯ এপ্রিল, ২০১১

জাপানের ডায়েরীঃ জাপানে বসন্ত-সাকুরা-হানামী উৎসব

চেরি ফুলকে জাপানে সাকুরা বলা হয়। Japanese kanji : 桜 or 櫻; hiragana: さくら। তবে এই ফুল দেয়া চেরি গাছ থেকে চেরি ফল পাওয়া যায় না, চেরির আর এক প্রজাতির গাছ থেকে চেরি ফল পাওয়া যায় যা জাপানিজে sakuranbo বলে। জাপানে এই সাকুরা ফুল ফোটার সময়ে উৎসব এর বন্যা বয়ে যায়। সবাই সাকুরা ফুলে ছবি তোলা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। সাকুরা ফুল দেখা নিয়ে যে উৎসব হয় তাকে হানামি (hanami: 花見) বলে। জাপানে প্রায় ২০০ প্রজাতির চেরির চাষ হয়। এই ফুল ফোটার সময় হলো এপ্রিল মাস। এসময় সারা জাপান হালকা গোলাপী রঙে রঙিন হয়ে ওঠে। হানামি উৎসবে কবি-গায়ক-সকল স্তরের মানুষ স্থানীয় কোন পার্ক/স্থান যেখানে চেরির গাছ থাকে সেখানে জড়ো হয়ে উৎসবে মেতে ওঠে। জাপানের ১০০ ইয়েনের মূদ্রায় এক পিঠে এই সাকুরার ফুল অংকিত আছে।
 
 এপ্রিলে এই হানামী উৎসব জাপানীজদের মনে বেশ রাঙিয়ে তোলে। যদিও গত ১১ই মার্চের ৯ মাত্রার ভূমিকম্প এবং সুনামীর প্রভাব এখনও এদের মনে দগদগে ঘা এর মত হয়ে আছে, এখন এটাই দেখার বিষয় সাকুরা এদের দেহ ও মনকে কতটা প্রফুল্ল করে তোলে। নিচে গতবারের হানামীর সময় তোলা সাকুরার ছবি এবং ভিডিও।








Share/Bookmark

শনিবার, ৩১ জুলাই, ২০১০

গোছালপনঃ এক গ্রামীন সংস্কৃতি!

গোছালপন!! হ্যাঁ বগুড়ায় আঞ্চলিক ভাষায় আমরা গোছালপনই বলি। এটা আসলে এক ধরনের খাওয়ার অনুষ্ঠান, যা প্রতিবছর জমিতে ধান লাগানোর সময় পালিত হয়। যেদিন জমিতে প্রথম ধানের বীজ বপন (বীজতলা থেকে অংকুরিত ধান গাছ এর চারা জমিতে লাগানোর দিন) করা হয় সেদিন যেসকল কৃষক বীজ বপনে অংশগ্রহন করে, তারা ঐদিন রাতের খাবার গৃহস্থের বাড়িতে খায়। বেশ উৎসবমুখর পরিবেশে, সবকৃষক গৃহস্তের উঠানে বা বারান্দার সারিবদ্ধভাবে বসে রাতের খাবার গ্রহন করে। এখানে শুধু কৃষক একাই আসে না, অনেক সময় তারা তাদের বঊ-বাচ্চাকেও নিয়ে আসে এই
Share/Bookmark
^ Back to Top