শনিবার, ২ জুলাই, ২০১১

প্রবাসের রান্নাঘরঃ কলিজার সিঙ্গারা


যা যা লাগবেঃ
ময়দা : ৩কাপ
পানি: পরিমাণমতো
তেল : পরিমাণমতো
লবণ : স্বাদ অনুযায়ী
কালোজিরা : ১ চা চামচ

কলিজা টুকরা ১ কাপ
ছাল ছড়ানো ছোট ছোট টুকরো করা আলু, গাজর ২ কাপ
মটরশুঁটি : ১ কাপ
পিয়াজ কুচি :১ কাপ
ধনেপাতা কুচি : ১ টেবিল চামচ
কাঁচামরিচ কুচি : ১ চা চামচ
আদা ও রসুন বাটা: ১ চা চামচ
গরম মসলা গুঁড়ো : আধা চামচ,
তেল : পরিমাণমতো

Share/Bookmark

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন, ২০১১

প্রবাসের রান্নাঘরঃ ঘরে বানানো বগুড়ার দই

যা লাগবেঃ

  • দুধ ( দই এর পরিমানের দেড়গুন বা দ্বিগুন পরিমান)। বাজারে বেশি ঘনত্বের দুধ পাওয়া গেলে, তা ব্যবহার করা ভালো।
  • টকদই
  • চিনি (পরিমানমত)

প্রস্তুতপ্রণালীঃ
প্রথমে দুধ পাতিল/সস্প্যানে নিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন। দুধের পরিমান জ্বাল দিয়ে দই এর পরিমানে আসা পর্যন্ত চুলায় রাখুন।

Share/Bookmark

মঙ্গলবার, ২৮ জুন, ২০১১

প্রবাসের রান্নাঘরঃ মোগলাই পরোটা

উপকরণঃ ময়দা ২ কাপ, তেল, লবন, কাচা মরিচ, আদা ও রসুনবাটা (পরিমাণ মতো) ডিম ৪টি, ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ, পিঁয়াজ, কুঁচি ১ কাপ আদা ও রসুনবাটা । গরম মশলা গুঁড়ো ১ চা চামচ।

যেভাবে করবেনঃ প্রথমে পরিমাণ মতো লবণ, তেল ও পানি দিয়ে ময়দা ভালকরে ছানিয়ে নিতে হবে। তারপর মাওয়া ১ঘন্টা রেখে দিতে হবে, এরপরে কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে কাটা পিয়াজ, আদা ও রসুন বাটা স্বাদ অনুযায়ী লবণ, কাঁচামরিচ,গরম মশলাগুঁড়ো, ডিম (৩টি) দিয়ে ভালোভবে কষিয়ে অল্প পানি দিয়ে ঢেকে রান্না করে ঠান্ডা করুন।

Share/Bookmark

রবিবার, ২২ মে, ২০১১

প্রবাসের রান্নাঘরঃ ইলিশ পোলাও


ইলিশ পোলাও এর জন্য যা যা লাগবেঃ

➹ পিস করে কাটা ইলিশ মাছ (চাহিদানুযায়ী পিসের সংখ্যা নির্ভরশীল)
➹ আদা-রসুন-পেঁয়াজ পেষ্ট
➹ কাঁচা মরিচ
➹ পেঁয়াজ
➹ সোয়াবিন তৈল
➹ গরম মসলা, জিরা, তেজপাতা
➹ বাসমতি চাল
➹ দই
➹ মটরশুটি
➹ লবন

প্রণালীঃ
প্রথমেই চাল ১০মিনিট পানিতে ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরাতে দিন। এবার ইলিশ মাছ এর টুকরো গুলি ধুয়ে নিয়ে মসলা, আদা-রসুন-পেয়াজ পেষ্ট, সামান্য এবং দই দিয়ে মেখে নিন। পেঁয়াজ কুচি করে কাটুন। এখন ফাইপ্যানে তেল দিয়ে চুলা চালু করুন। তেল গরম হয়ে আসলে মাখানো ইলিশের টুকরোগুলো তেলে ছেড়ে দিন। হালকা ভেজে নিয়ে মাছ উঠিয়ে রাখুন। এবার মাখানো মসলা (যেগুলোতে মাছ মাখানো ছিলো) ফ্রাইপ্যানে নিন, আবার মাছ দিয়ে প্রায় ২০মিনিটের মত কষিয়ে নিতে হবে, ঊঠানোর আগে কয়েক্টা আস্ত কাঁচা মরিচ দিন। ভালোভেবে নাড়িয়ে অন্যপাত্রে মাছ ঊঠিয়ে রাখুন।


Share/Bookmark

শনিবার, ১৪ মে, ২০১১

প্রবাসের রান্নাঘরঃ পিজ্জা-র রেসিপি

☼ যা লাগবেঃ
➽ ময়দা ২ কাপ
➽ ইস্ট ২ চা চামুচ
➽ চিনি ২ চা চামুচ
➽ গুঁড়া দুধ ২ চা চামুচ
➽ লবন ১/২ চা চামুচ
➽ ডিম ১ টা
➽ পানি পরিমান মত
➽ চিজ পরিমান মত।
➽ টমেটো সস ১ টেবিল চামুচ


Share/Bookmark

শনিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১১

জাপানের ডায়েরীঃ টোকিও বৈশাখী মেলা ২০১১

এনিয়ে পরপর তিনবার টোকিওর ইকেবুকরোর নিশিগুচি পার্কে অনুষ্ঠিত বৈশাখী মেলায় গেলাম। এবারই প্রথম সাদামাটাভাবে মেলা পালিত হলো। জাপানের সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া বিপর্যয়ের পর, পুরা জাপানেই এর প্রভাব পড়েছে জাতীয় জীবনের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবনে। আর এটা একটা চ্যারিটি প্রোগামও হিসাবে পরিচালিত হয়েছে এবার। প্রায় দশলাখ ইয়েন সহায়তা এসেছে মেলায় আগমনকারীদের কাছ থেকে। বাংলাদেশীরা বাদে এই মেলার উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহনকারী থাকত জাপানীজরা, কিন্তু বিপর্যয়ের পর থেকে জাপানীজরাও অনেক গুটিয়ে নিয়েছে নিজেদেক। আগে ওরা যেকোন আমুদে অনুষ্ঠানে বিশেষ করে জাপানে অবস্থানরত বিদেশীদের অনুষ্ঠানে অকাতরে অংশ নিত, কিন্তু এবার সবকিছুতেই ভাটা পড়েছে। গতবারের মেলার চেয়ে এবার বাংলাদেশীদের অংশগ্রহনও প্রায় অর্ধেক, এর কারনও সাম্প্রতিক বিপর্যয়, অনেকে আবার এই বিপর্যয়ের পর একমাসের ছুটিতে দেশে রয়েছেন, অনেকের পরিবার পাঠিয়ে দিয়েছেন। ফলে অনেকেরই আসা হয়নি। খাবারের ষ্টলও এবার তুলনামূলক কম। অন্যান্য ষ্টলও কম। খাবারের মানও এবার ভালো লাগলো না। যা তৈরি করেছে, তা গুনগতমানহীন। রসমালাই খেলাম, মনে হলো মিষ্টি দেয়া দুধে আটার গোলা  (গোল্লা নয়) খেলাম। স্বভাজাত বেশি ইনকামের চিন্তা, কিন্তু তারা যে বাংলাদেশকে উপস্থাপন করছে এই চিন্তা নেই। তবে একটা বিষয় ভালো হয়েছে, তা হচ্ছে মোটামুটি লোকজনের কম আগমনে বেশ আরামে ঘোরাফেরা করা গেছে, স্টেজের সামনের বসার অংশ প্রায় ফাঁকা ছিলো, কারন একদিকে যেমন রোদ আর লোকের সরগরম কম হওয়ায় সবাই ইচ্ছেমত বসতে বা দাঁড়িয়ে অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পেরেছে, যদিও বাংলাদেশ থেকে এবার কোন শিল্পী আসেনি। যদিও এই মেলার উদ্যোক্তাদের ওয়েবসাইটে লেখা ছিলো ক্লোজআপ তারকা লিজা আসার কথা। যাহোক এবারের মেলায় স্থানীয় উত্তরণ এবং স্বরলীপি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করে। বাংলাদেশী গানের তালে জাপানীজদের নাচ বেশ দর্শনীয় ছিলো [নিচের ভিডিও দেখুন]।


Share/Bookmark

শনিবার, ৯ এপ্রিল, ২০১১

জাপানের ডায়েরীঃ জাপানে বসন্ত-সাকুরা-হানামী উৎসব

চেরি ফুলকে জাপানে সাকুরা বলা হয়। Japanese kanji : 桜 or 櫻; hiragana: さくら। তবে এই ফুল দেয়া চেরি গাছ থেকে চেরি ফল পাওয়া যায় না, চেরির আর এক প্রজাতির গাছ থেকে চেরি ফল পাওয়া যায় যা জাপানিজে sakuranbo বলে। জাপানে এই সাকুরা ফুল ফোটার সময়ে উৎসব এর বন্যা বয়ে যায়। সবাই সাকুরা ফুলে ছবি তোলা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। সাকুরা ফুল দেখা নিয়ে যে উৎসব হয় তাকে হানামি (hanami: 花見) বলে। জাপানে প্রায় ২০০ প্রজাতির চেরির চাষ হয়। এই ফুল ফোটার সময় হলো এপ্রিল মাস। এসময় সারা জাপান হালকা গোলাপী রঙে রঙিন হয়ে ওঠে। হানামি উৎসবে কবি-গায়ক-সকল স্তরের মানুষ স্থানীয় কোন পার্ক/স্থান যেখানে চেরির গাছ থাকে সেখানে জড়ো হয়ে উৎসবে মেতে ওঠে। জাপানের ১০০ ইয়েনের মূদ্রায় এক পিঠে এই সাকুরার ফুল অংকিত আছে।
 
 এপ্রিলে এই হানামী উৎসব জাপানীজদের মনে বেশ রাঙিয়ে তোলে। যদিও গত ১১ই মার্চের ৯ মাত্রার ভূমিকম্প এবং সুনামীর প্রভাব এখনও এদের মনে দগদগে ঘা এর মত হয়ে আছে, এখন এটাই দেখার বিষয় সাকুরা এদের দেহ ও মনকে কতটা প্রফুল্ল করে তোলে। নিচে গতবারের হানামীর সময় তোলা সাকুরার ছবি এবং ভিডিও।








Share/Bookmark
^ Back to Top