আমরা যারা প্রবাসে আছি, সবারই দেশে কথা বলার জন্য কোন না কোন VOIP প্রোভাইডারের কাছে থেকে ক্রেডিট কিনে কথা বলতে হয়। সবাই হন্যে হয়ে খোঁজ করেন কোথায় পাওয়া যাবে সস্তায় মানসম্পন্নভাবে দেশে কথা বলার সুবিধা। তবে প্রায় সব দেশেই বসবাসরত বাংলাদেশীদের নিজস্ব কিছু ব্যবস্থা থাকে, ফলে যোগাযোগ সহজ হয় প্রবাসী বাংলাদেশীদের। বিশ্বস্ততাও কাজ করে, বিশেষত অনেক সময় জরুরী প্রয়োজনে টাকা না দিয়েও ক্রেডিট কেনা যায়, পরে টাকা দিলেও হয়। জাপানে আমার প্রবাস জীবন শুরু ২০০৮ থেকে। প্রথম থেকেই রিঙ২ফোন এর কার্ড কিনতাম, বাংলাদেশে ১২-১৩ঘন্টা কথা বলা যেত ২০০০ইয়েনের কার্ড কিনে, পিসি টু ফোন সিস্টেম।
.
.
শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১১
সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাঃ অনলাইনে কেনাকাটায় সাবধান হোন
আমরা যারা প্রবাসে আছি, সবারই দেশে কথা বলার জন্য কোন না কোন VOIP প্রোভাইডারের কাছে থেকে ক্রেডিট কিনে কথা বলতে হয়। সবাই হন্যে হয়ে খোঁজ করেন কোথায় পাওয়া যাবে সস্তায় মানসম্পন্নভাবে দেশে কথা বলার সুবিধা। তবে প্রায় সব দেশেই বসবাসরত বাংলাদেশীদের নিজস্ব কিছু ব্যবস্থা থাকে, ফলে যোগাযোগ সহজ হয় প্রবাসী বাংলাদেশীদের। বিশ্বস্ততাও কাজ করে, বিশেষত অনেক সময় জরুরী প্রয়োজনে টাকা না দিয়েও ক্রেডিট কেনা যায়, পরে টাকা দিলেও হয়। জাপানে আমার প্রবাস জীবন শুরু ২০০৮ থেকে। প্রথম থেকেই রিঙ২ফোন এর কার্ড কিনতাম, বাংলাদেশে ১২-১৩ঘন্টা কথা বলা যেত ২০০০ইয়েনের কার্ড কিনে, পিসি টু ফোন সিস্টেম।
লেবেলসমূহ:
অনলাইন কেনাকাটা,
এলোমেলো,
ফোন ক্রেডিট
মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১১
প্রবাসের রান্নাঘরঃ ঝটপট ফুচকার রেসিপি
যা যা লাগবেঃ
☞ ময়দা ২ কাপ,
☞ সুজি আধাকাপ,
☞ তালমাখনা ১ চা চাঃ
☞ লবণ পরিমাণমতো,
☞ ডাবলি ছোলা সেদ্ধ পরিমাণমতো,
☞ আলু সেদ্ধ পরিমাণমতো
☞ পেঁয়াজ কুচি পরিমাণমতো,
☞ লেবু রস,
☞ শশা কুচি পরিমাণমতো,
☞ ডিম কুচি পরিমাণমতো,
☞ টকদই ১ টেবিল চামচ,
☞ কাঁচামরিচ কুচি পরিমাণমতো,
☞ ভাজার জন্য পর্যাপ্ত তেল
☞ ময়দা ২ কাপ,
☞ সুজি আধাকাপ,
☞ তালমাখনা ১ চা চাঃ
☞ লবণ পরিমাণমতো,
☞ ডাবলি ছোলা সেদ্ধ পরিমাণমতো,
☞ আলু সেদ্ধ পরিমাণমতো
☞ পেঁয়াজ কুচি পরিমাণমতো,
☞ লেবু রস,
☞ শশা কুচি পরিমাণমতো,
☞ ডিম কুচি পরিমাণমতো,
☞ টকদই ১ টেবিল চামচ,
☞ কাঁচামরিচ কুচি পরিমাণমতো,
☞ ভাজার জন্য পর্যাপ্ত তেল
প্রবাসের রান্নাঘরঃ ঝটপট ফুচকার রেসিপি
মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট, ২০১১
ঢাকাকে বিকেন্দ্রীকরণ এবং অনুষাঙ্গিক ভাবনাঃ একটি ব্যক্তিগত চিন্তার অপপ্রয়াশ
প্রতিবছর দেশের নানা বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজ থেকে পাস করে হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী ঢাকামুখী হচ্ছে জীবিকার জন্য। এছাড়া বিভিন্ন দুর্গত এলাকার মানুষ আশ্রয়ে খোঁজে ঢাকায় আসছে। এভাবে সারাদেশ থেকে ঢাকামুখী এই মানুষের ঢল ঢাকাকে করছে মানুষের বসবাসের অযোগ্য। ঢাকায় মানুষ বাড়ছে কিন্তু সেই হারে কি ঢাকা শহরের আয়তন বাড়ছে? রাস্তাঘাট সেই মান্ধাতা আমলে করা প্রসস্থতা নিয়েই আছে, কিন্তু এই বর্ধিত জনসংখ্যার চাপে যানজট ভয়াবহ আকার নিচ্ছে, ফলে প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনা এবং অনাকাঙ্খিত মৃত্যু। এখন যে অবস্থা চলছে বাসা থেকে বের হয়ে রাতে আবার বাসায় ফিরে যাবে কিনা সন্দেহ আছে। উর্ধ্বমুখী এই মানুষের ভীড়ে ঢাকা যেমন মানুষের মেলা, বেড়েছে যানজট, তেমনি জীবিকার অভাব, মানুষ অবৈধ পেশায় জড়িয়ে পড়ছে। আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা ধ্বসে পড়ছে। ছিনতাই-রাহাজানি অহরহরেই ঘটছে এই মেট্রোপলিটন শহর ঢাকাতে। সামান্য কারনেই খুন হচ্ছে মানুষ। এসবের মুলে আসলে ঢাকা মাত্রারিক্ত জনসংখ্যার চাপ, এই অতিরিক্ত জনসংখ্যার কারনে ঢাকা শহরে মানুষ পারছে না স্বাভাবিক জীবন অতিবাহিত করতে। তাই ঢাকাকে বিকেন্দ্রীকরণ আজ জরুরী। সারাদেশ থেকে মানুষের এই ঢাকামুখী স্রোত বন্ধ করতে হবে, তবে সেটা আইন করে জোর করে নয়, অন্যান্য জেলা শহরেও সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে। ঢাকায় নতুন করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান-কলকারখানা স্থাপন বন্ধ করতে হবে, বরং অন্যান্য জেলায় এগুলো স্থাপনে উৎসাহ দেবার জন্য সরকার কর্তৃক বিশেষ সুবিধা ঘোষনা করা যেতে পারে। এজন্য দরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা , আস্তে আস্তে ভেবে চিনতে এগুতে হবে, যাতে ভুলের কারনে গচ্চা না হয়। যদিও আমাদের দেশে প্রজেক্ট খুবই জনপ্রিয়, প্রতি বছর নতুন নতুন প্রজেক্ট আবার প্রজেক্টের সম্ভাবতা যাচাই এর জন্য কোটি কোটি টাকা লস, সংশ্লিষ্ট বড় কর্তাদের অভিজ্ঞতা অর্জনে বিদেশে ভ্রমন ব্লা ব্লা ব্লা......এভাবেই টাকা শেষ, প্রজেক্ট তখন ফাইলবন্দী।
যাহোক আসল কথায় আসি, সারাদেশের সকল জেলা সদরের সাথে ঢাকা সড়ক যোগাযোগ উন্নত করতে হবে, রাস্তা ডবল লেনের করতে হবে। এক্ষেত্রে কিছু সুপার হাইওয়ে করা যেতে পারে, যেগুলোতে আরো দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছা যাবে কিন্তু বিনিময় টোল দিতে হবে। সরকার এজন্য বাহিরের কনষ্ট্রাকশন কোম্পানীর সাথে যোগাযোগ করতে পারে, যারা নিজেদের অর্থায়নে এই সুপার মহাসড়ক তৈরি করে নিজেরা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত টোল আদায় করে খরচ ঊঠিয়ে নেবে, এরপর এটা সরকারের হয়ে যাবে।
ঢাকা ও এর আশেপাশের জেলাগুলির সাথে ট্রেন যোগাযোগ উন্নত করতে হবে, সর্বোচ্চ আধাঘন্টা ব্যবধানে এসব জেলা সদরের সাথে ঢাকায় ট্রেন চলাচল করাতে হবে। ট্রেনগুলিতে ৫-১০টা বগি থাকবে, ফলে ঢাকায় থাকার মানসিকতা কমে যাবে, মানুষ প্রতিদিন আশেপাশের জেলা থেকে ঢাকায় তাদের অফিস করতে পারবে। যার ফলে ঢাকায় মানুষের চাপ অনেক কমে যাবে।
যাহোক আসল কথায় আসি, সারাদেশের সকল জেলা সদরের সাথে ঢাকা সড়ক যোগাযোগ উন্নত করতে হবে, রাস্তা ডবল লেনের করতে হবে। এক্ষেত্রে কিছু সুপার হাইওয়ে করা যেতে পারে, যেগুলোতে আরো দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছা যাবে কিন্তু বিনিময় টোল দিতে হবে। সরকার এজন্য বাহিরের কনষ্ট্রাকশন কোম্পানীর সাথে যোগাযোগ করতে পারে, যারা নিজেদের অর্থায়নে এই সুপার মহাসড়ক তৈরি করে নিজেরা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত টোল আদায় করে খরচ ঊঠিয়ে নেবে, এরপর এটা সরকারের হয়ে যাবে।
ঢাকা ও এর আশেপাশের জেলাগুলির সাথে ট্রেন যোগাযোগ উন্নত করতে হবে, সর্বোচ্চ আধাঘন্টা ব্যবধানে এসব জেলা সদরের সাথে ঢাকায় ট্রেন চলাচল করাতে হবে। ট্রেনগুলিতে ৫-১০টা বগি থাকবে, ফলে ঢাকায় থাকার মানসিকতা কমে যাবে, মানুষ প্রতিদিন আশেপাশের জেলা থেকে ঢাকায় তাদের অফিস করতে পারবে। যার ফলে ঢাকায় মানুষের চাপ অনেক কমে যাবে।
ঢাকাকে বিকেন্দ্রীকরণ এবং অনুষাঙ্গিক ভাবনাঃ একটি ব্যক্তিগত চিন্তার অপপ্রয়াশ
সোমবার, ২৫ জুলাই, ২০১১
প্রবাসের রান্নাঘরঃ পাবদা মাছের দোঁপেয়াজো
উপকরনঃ
পাবদা মাছ ২৫০ গ্রাম
পেঁয়াজ কুচি ২ কাপ
কাঁচামরিচ পরিমানমত
ধনে পাতা কুচি ৩ টেবিল চামচ
টমেটো টুকরা ১ কাপ
মরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ
মাছেরমসলা গুঁড়া ১ চা চামচ,
পাবদা মাছ ২৫০ গ্রাম
পেঁয়াজ কুচি ২ কাপ
কাঁচামরিচ পরিমানমত
ধনে পাতা কুচি ৩ টেবিল চামচ
টমেটো টুকরা ১ কাপ
মরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ
মাছেরমসলা গুঁড়া ১ চা চামচ,
প্রবাসের রান্নাঘরঃ পাবদা মাছের দোঁপেয়াজো
শুক্রবার, ১৫ জুলাই, ২০১১
আম্রিকা ট্যুরঃ পর্ব-০৩
অনলাইনে বুকিং করেছিলাম টাওয়ার মোটেল, বেশ সস্তা এবং ছিমছাম, এক ভারতীয় দম্পতির এই মোটেল। কনফারেন্স লোকেশন থেকে দুই কিলো দূরে, বাসে এক ডলার আর হেঁটে ২৫মিনিট। ভারতীয় দম্পতির বলে ভাবছিলাম খাওয়াদাওয়ার হয়ত ব্যবস্থা আছে, কিন্তু আশায় গুড়ে বালি, ইমেইলেই জানিয়েছিলো এটার বিপরীত পাশেই আছে চাইনীজ রেষ্টুরেন্ট, সুতরাং চিন্তা নেই খাওয়া দাওয়ার। যাহোক রুমে প্রবেশ করেই মনটা ভালো হয়ে গেল, বেশ বড় রুম, আর খাটের দেখে মনে হলো সাঁতার কাটা যাবে। ৪জন অনায়াসে থাকা যাবে। প্রায়দিকেই গ্লাস লাগানো। বাথরুমটাও বেশ ঝকঝকে। রুমে নেট কানেকশনের ব্যবস্থা আছে, ওয়াইফাই দিয়ে স্পীড একটু কম, কিন্তু ক্যাবল দিয়ে বেশ ভালো স্পীড পেলাম। ফ্রেশ হওয়ার আগেই দেশে ফোন দিলাম যে পৌঁছেছি সমস্যা হয়নি। এরপর বাথরুমে গিয়ে লম্বা একটা গোছল দিলাম। এবার রুমের দিকে আরো ভালো করে তাকালাম। বেশ সস্তা দরের মোটেলে সুবিধাদি দেখে মুগ্ধই হলাম। টিভি-মিনি ফ্রিজ, টি-ব্যাগ, হেয়ার ড্রাইয়ার প্রভূতি। যা হোক গোছ গাছ করে বের হলাম আশেপাশের একটু দেখার জন্য। অবশ্য আসল উদ্দেশ্য ডাক্তারকে দেখানো। কারন গত বছর বেশ কমাস যাবত H.Pylori ব্যাক্টেরিয়ার ইনফেকশনে ভুগছিলাম। জাপানে ৩ কোর্সের ঔষধ খেয়ে না সারায় জাপানে ডাক্তার একটা লেটার ইস্যু করে দিয়েছিলো যদি সম্ভব হয় আমেরিকায় গিয়ে ডাক্তার দেখিয়ে আরো ভালো ঔষধ
আম্রিকা ট্যুরঃ পর্ব-০৩
শনিবার, ৯ জুলাই, ২০১১
প্রবাসের রান্নাঘরঃ চাইনীজ ভেজিটেবল
♨যা যা লাগবেঃ
✓গাজর টুকরা ১ কাপ ✓ফুলকপি টুকরা ১ কাপ
✓আলু টূকরা ১ কাপ ✓মটরশুটি ১ কাপ
✓বাধাকপি চারকোনা করে কাটা ১ কাপ ✓বড় পেঁয়াজ চারকোনা করে কাটা ১ কাপ
✓টেস্টিং সল্ট ১/২ চামুচ ✓কাঁচামরিচ টুকরা ২টি
✓চিকেন১ কাপ ✓দই ১ চামুচ
✓মাখানোর জন্য আদা রসুন পেষ্ট আধা চা চামচ ✓সয়াসস ১ চা চামচ
✓রসুন কুচি সামান্য ✓চিনি সামান্য ✓লবন আন্দাজমতো ✓তেল ১ টেবিল চামচ
✓গাজর টুকরা ১ কাপ ✓ফুলকপি টুকরা ১ কাপ
✓আলু টূকরা ১ কাপ ✓মটরশুটি ১ কাপ
✓বাধাকপি চারকোনা করে কাটা ১ কাপ ✓বড় পেঁয়াজ চারকোনা করে কাটা ১ কাপ
✓টেস্টিং সল্ট ১/২ চামুচ ✓কাঁচামরিচ টুকরা ২টি
✓চিকেন১ কাপ ✓দই ১ চামুচ
✓মাখানোর জন্য আদা রসুন পেষ্ট আধা চা চামচ ✓সয়াসস ১ চা চামচ
✓রসুন কুচি সামান্য ✓চিনি সামান্য ✓লবন আন্দাজমতো ✓তেল ১ টেবিল চামচ
প্রবাসের রান্নাঘরঃ চাইনীজ ভেজিটেবল
শুক্রবার, ৮ জুলাই, ২০১১
আম্রিকা ভ্রমনঃ পর্ব-০২
শুরু হলো নির্দিষ্ট দিন ক্ষনে আমেরিকার উদ্দেশ্যে যাত্রা। যাত্রী কোরিয়ান এয়ারলাইন্সের, জানালার পাশে সিট। বেশ আরামেই চলতে লাগলাম, প্রায় সাড়ে এগারো ঘন্টার বিরতীহীন যাত্রা। বিমানে সিনেমার দেখে দেখে আগামী দিনের ভাবনা ভেবে ভেবে ঘুমে গেছিলাম ......জাগা পেলাম ডিনারের জন্য এয়ারহোষ্টের ডাকে। হালাল খাবারের কথা আগেই বলা ছিলো, কিন্তু কোরিয়ান এয়ারের দেয়া হালাল খাবার জঘন্য লেগেছিলো। পরিমানও সামান্য। মেজাজটাই খিচড়ে গিয়েছিল। যা হোক খেয়ে আবার সিনেমা দেখা শুরু করলাম। ঘন্টা তিনেক পর ঘুমানোর প্রস্তুতি নিলাম। কারন ভোরের দিকে লসএঞ্জেলস এয়ারপোর্টে নামতে হবে, এর আগে একটু ঘুমানো দরকার। এয়ারপোর্ট থেকে আবার ট্রেনে যেতে হবে লং বীচে। সেখানেই আগে থেকেই একটা মোটেল বুক করে রেখেছিলাম। যাহোক সকালে সময়মত পৌছলাম লসএঞ্জেলস এয়ারপোর্টে। সেই থাকে আমেরিকায় পদার্পন করলাম। হ্যান্ড লাগেজ নিয়ে এগোতে থাকলাম ইমিগ্রেশনের দিকে। বেশ লম্বা লাইন। আমেরিকাদের লাইন বেশ হালকাই কিন্তু বিদেশীদের ৪টার মত লম্বা লম্বা লাইন। পরে কতিপয় অফিসার বিদেশীদের লাইন ভেঙ্গে আমেরিকানদের লাইনে দিলেন, সময় বাঁচানোর
আম্রিকা ভ্রমনঃ পর্ব-০২
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)