.
.
বুধবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১১
বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০১১
প্রবাসের রান্নাঘরঃ হাঁসের মাংসের ঝোল
আবার নিজের মত করে রান্নার গল্প। জাপানে বাংলাদেশী হালাল শপে সাধারনত ব্রাজিল থেকে আমদানী করা হাঁস পাওয়া যায়। দামের কথা আর নাই বা বললাম। রসনা তৃপ্তির বেলায় দাম কোন ব্যাপারই না। তারপরেও বলে রাখি ২কেজি ওজনের ব্রাজিলের একটা হাসেঁর দাম মাত্র ১৫০০ জাপানীজ ইয়েন ( ১ইয়েন= ০.৮৪ টাকা)।
যা যা লাগবেঃ
✿ হাঁসের মাংস (মোটামুটি ১কেজি)
✿ পেঁয়াজ কুচি দেড়কাপ
✿ আদা-রসুন পেষ্ট
✿ শুকনা মরিচের গুড়া
✿ ধনিয়া পাতা
যা যা লাগবেঃ
✿ হাঁসের মাংস (মোটামুটি ১কেজি)
✿ পেঁয়াজ কুচি দেড়কাপ
✿ আদা-রসুন পেষ্ট
✿ শুকনা মরিচের গুড়া
✿ ধনিয়া পাতা
প্রবাসের রান্নাঘরঃ হাঁসের মাংসের ঝোল
সোমবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১১
বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার সেরা খাবারের তালিকাঃ নতুন করে আপডেট-১
প্রিয় বাংলাদেশের সব এলাকার বিখ্যাত খাবারের নাম জানি? অথচ আমরা অনেক জায়গায় ঘুরে বেড়িয়েছি, কিন্তু ঐ এলাকার সুস্বাদু খাবারের নাম যদি জানতেন??রসনার তৃপ্তি মেটাতে পারতেন ঐসব মুখরোচক বিখ্যাত খাবার দিয়ে। এই লক্ষ্যে আগে পোষ্ট দিয়েছিলাম সামু আর আলুতে, বাংলাদেশের বিখ্যাত ও সুস্বাদু খাবারের তালিকা করতে। অনেকেই অভূতপূর্ব সাড়া দিয়েছেন। ওসবে আর ব্লগিং করা হয় না, একটা আপডেট দিয়েছিলাম আমার গল্পের বাগানবাড়িতে সেটাই আবার এই ব্লগের জন্য পোষ্ট দিলাম, প্লিজ সবাই নিজের এলাকার বিখ্যাত খাবার (তৈরি করা, প্রকৃতি প্রদত্ত-শস্য-ফল-মাছ-শাক-সবজি নয়) এর নাম, যদি সম্ভব হয় ছবি সহ দিন।

বগুড়ার দই
গাইবান্ধার রসমঞ্জুরী
টাঙ্গাইলের চমচম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তালের বড়া
বাঘাবাড়ির ঘি
নওগাঁর প্যারা সন্দেশ

(ছবি কৃতজ্ঞতাঃ সামুর ব্লগার অগ্নিবীনা )
নাটোরের কাঁচাগোল্লা


বগুড়ার দই
গাইবান্ধার রসমঞ্জুরী
টাঙ্গাইলের চমচম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তালের বড়া
বাঘাবাড়ির ঘি
নওগাঁর প্যারা সন্দেশ

(ছবি কৃতজ্ঞতাঃ সামুর ব্লগার অগ্নিবীনা )
নাটোরের কাঁচাগোল্লা
বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার সেরা খাবারের তালিকাঃ নতুন করে আপডেট-১
রবিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০১১
প্রবাসের রান্নাঘরঃ মোরগ পোলাও
আবারো নিজের রেসিপি নিজের ইচ্ছামত সাজিয়ে রান্নার চেষ্টা। এবারের আইটেম মোরগ পোলাও।
যা লাগবেঃ
পোলাও এর চাল দুকাপ, মোরগের দুইটা রান, কাঁচা মরিচ, পেয়াজ, তেল, গরম মসলা, আদা-রসুন পেষ্ট, দই, ধনিয়াপাতা। [আমি ২জনের পরিমান করে রান্না করেছি, পাঠক ইচ্ছামত পরিমান কমবেশি করতে পারবেন আনুষাঙ্গিক আইটেম কম বেশি করে। এমনকি বিভিন্ন মসলা যেমনঃ দারুচিনি-এলাচ-লবঙ্গ-জায়ফল-জয়ত্রী ব্যবহার করতে পার স্বাদ আর ঘ্রানে নতুনত্ব আনতে। প্রবাসে যেহেতু একা থাকি আর মসলা প্রাপ্তিতে সমস্যা বিধায়, নূন্যতম যা না হলে নয় সেগুলি দিয়েই রান্নার চেষ্টা ]
যেভাবে শুরু করবেনঃ
প্রথমে মোরগের রান দুটি ভালো করে ধুয়ে নিয়ে পানি ঝরতে দিন। এবার দই (পরিমানটা হবে এমন যাতে সব মাংস ভালোভাবে মাখানো যায়) আর আদা-রসুন পেষ্ট দিয়ে মাংস ভালোভাবে মাখিয়ে নিয়ে একটা বক্সে করে রেখে দিন মেরিনেট করার জন্য। নূণ্যতম দুই ঘন্টা, তবে সারারাত রাখতে পারলে আরো ভালো।

যা লাগবেঃ
পোলাও এর চাল দুকাপ, মোরগের দুইটা রান, কাঁচা মরিচ, পেয়াজ, তেল, গরম মসলা, আদা-রসুন পেষ্ট, দই, ধনিয়াপাতা। [আমি ২জনের পরিমান করে রান্না করেছি, পাঠক ইচ্ছামত পরিমান কমবেশি করতে পারবেন আনুষাঙ্গিক আইটেম কম বেশি করে। এমনকি বিভিন্ন মসলা যেমনঃ দারুচিনি-এলাচ-লবঙ্গ-জায়ফল-জয়ত্রী ব্যবহার করতে পার স্বাদ আর ঘ্রানে নতুনত্ব আনতে। প্রবাসে যেহেতু একা থাকি আর মসলা প্রাপ্তিতে সমস্যা বিধায়, নূন্যতম যা না হলে নয় সেগুলি দিয়েই রান্নার চেষ্টা ]
যেভাবে শুরু করবেনঃ
প্রথমে মোরগের রান দুটি ভালো করে ধুয়ে নিয়ে পানি ঝরতে দিন। এবার দই (পরিমানটা হবে এমন যাতে সব মাংস ভালোভাবে মাখানো যায়) আর আদা-রসুন পেষ্ট দিয়ে মাংস ভালোভাবে মাখিয়ে নিয়ে একটা বক্সে করে রেখে দিন মেরিনেট করার জন্য। নূণ্যতম দুই ঘন্টা, তবে সারারাত রাখতে পারলে আরো ভালো।প্রবাসের রান্নাঘরঃ মোরগ পোলাও
বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১০
নিজের পছন্দের মযিলা ফায়ারফক্সের চমৎকার কিছু এডঅন
ব্রাউজার হিসাবে ফায়ারফক্স এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলছে। ইন্টারনেট ব্যবহারকারী অনেকের কাছেই এর অবস্থান এক নম্বরে, কারন বেশ সহজে ব্যবহার করা যায়, ইচ্ছা মত সাজানো যায়, ঘন ঘন আপডেট পাওয়া যায়। মযিলা ফায়ারফক্স ব্যবহারকারীরা অবশ্যই এর এডঅন এর সাথে পরিচিত। এসব এডএন যেমন ফায়ারফক্সকে সাজাতে সাহায্য করে তেমনি ব্রাউজিং এর কাজে অনেক নানা ভাবে তথ্য-উপাত্ত আর সুবিধাদি দিয়ে থাকে। আজ আমার পছন্দের এডঅন যেগুলি আমি ব্যবহার করি সেগুলি শেয়ার করছিঃ
Flagfox:
ফায়ারফক্সের চমৎকার এই এডঅনটি আসলে আপনার ব্রাউজকৃত ওয়েবপেজটি কোন দেশের সার্ভার ব্যবহার করছে, সেই দেশের পতাকা দেখায় ব্রাউজারের এড্রেস বারের একেবারে ডানে। যেমন ছবি খেয়াল করুনঃ আমাদের শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটটির সার্ভার বাংলাদেশের। তাই ফ্লাগফক্স বাংলাদেশের পতাকা দেখাচ্ছে।


Flagfox:
ফায়ারফক্সের চমৎকার এই এডঅনটি আসলে আপনার ব্রাউজকৃত ওয়েবপেজটি কোন দেশের সার্ভার ব্যবহার করছে, সেই দেশের পতাকা দেখায় ব্রাউজারের এড্রেস বারের একেবারে ডানে। যেমন ছবি খেয়াল করুনঃ আমাদের শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটটির সার্ভার বাংলাদেশের। তাই ফ্লাগফক্স বাংলাদেশের পতাকা দেখাচ্ছে।

নিজের পছন্দের মযিলা ফায়ারফক্সের চমৎকার কিছু এডঅন
মঙ্গলবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১০
ঘুরে আসুন বগুড়াঃ বগুড়া ভ্রমনের টুকিটাকি-যাতায়াত-ঘোরাঘুরি-থাকা-খাওয়া
বগুড়া- উত্তরাঞ্চলের প্রাণকেন্দ্র, সম্ভাবনাময় একটা শহর, যথাযথ পরিকল্পনার ছোয়া পেলে দেশের অন্যতম ব্যবসাকেন্দ্র, পর্যটনকেন্দ্র, শিক্ষার শহরে পরিনত করা সম্ভব। এখানে রয়েছে বেশ কজন পীর আঊলিয়া, বিখ্যাত বগুড়ার দই, রয়েছে আন্তঃজাতিক মানের শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম, আধুনিক জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ, ৪তারকা হোটেল নাজ গার্ডেন প্রভূতি।
বগুড়ায় যেভাবে যাবেন (ঢাকা থেকে):
ঢাকার গাবতলী আর মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে বগুড়া যাবার জন্য এসি-ননএসি-ভলবো-মফিজ সব ধরনের বাসই আছে। তবে গ্রীনলাইন, এসআর পরিবহন, শ্যামলী ট্রাভেলস, টিআর ট্রাভেলস, হানিফ ইন্টারপ্রাইজ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া মধ্যমমানের একতা পরিবহন আছে যা মহাখালী থেকে বগুড়ার উদ্দেশ্যে ছাড়ে। ট্রেনে যাওয়া সহজ হবে না, কারন শান্তাহার নেমে আবার বগুড়ায় আসতে হবে, এরচেয়ে প্রায় চার/সাড়ে চার ঘন্টার বাস ভ্রমন অনেক আরামদায়ক। ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে নামতে পারবেন বনানীতে, ঠনঠনিয়া আন্তঃজেলা কোচ টার্মিনালে। আর যদি বাস এর শেষ গন্তব্য বগুড়ায় না হয় তাহলে অবশ্যই বনানী, চারমাথায় নামতে হবে। তবে অনেক বাস ঠনঠনিয়া আন্তঃজেলা কোচ টার্মিনালে বগুড়ার যাত্রী নেমে দিয়ে পরের গন্তব্যে চলে যায়।
ঘুরে আসুন বগুড়াঃ বগুড়া ভ্রমনের টুকিটাকি-যাতায়াত-ঘোরাঘুরি-থাকা-খাওয়া
লেবেলসমূহ:
দেশি খাবার,
বগুড়া,
ভ্রমন
শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১০
প্রবাসের রান্নাঘরঃ কাচ্চি বিরিয়ানী (সাদা রঙের মিশন)
কাচ্চি নিয়ে আগেও ট্রাই করেছিলাম, প্রবাসের রান্নাঘরঃ কাচ্চি বিরিয়ানী কিন্তু রান্নার স্টাইলের ফারাকের জন্য রঙ সাদা না হয়ে বাদামী হয়েছিলো, এরপর ভাবলাম পরেরবার সাদা যাতে হয় সেদিকে খেয়াল রাখবো। সেই অনুযায়ী পরের মিশনে নেমে গেলাম।
যা লাগবেঃ
পোলাও এর চাল, খাসির মাংস, কাঁচা মরিচ, পেয়াজ, তেল, গরম মসলা, আদা-রসুন পেষ্ট, দই/দুধ।
যেভাবে শুরু করবেনঃ প্রথমে পরিমান মত খাসির মাংস কেটে নিন। ভালো করে ধুয়ে নিয়ে পানি ঝরতে দিন। এবার দই/দুধ (পরিমানটা হবে এমন যাতে সব মাংস ভালোভাবে মাখানো যায়) আর আদা-রসুন পেষ্ট দিয়ে মাংস ভালোভাবে মাখিয়ে নিয়ে একটা বক্সে করে রেখে দিন মেরিনেট করার জন্য। নূণ্যতম দুই ঘন্টা, তবে সারারাত রাখতে পারলে আরো ভালো।
এবার পোলাও এর চাল ধুয়ে নিন। সস্প্যান ধুয়ে নিয়ে চুলায় দিন, তেল দিয়ে হাল্কা আচে পেয়াজ কুচি দিয়ে নাড়তে থাকুন। পেয়াজ এর রঙ বদলানো শুরু করলে এতে দিন (লবনের পরিমানটা হবে পোলাও আর মাংসের জন্য), সামান্য গরম মসল্লা আর কাঁচা মরিচ কেটে দিন। নরম হয়ে আসলে এবার পোলাও এর চাল ঢেলে দিন। এই সময় সামান্য পরিমান আদা-রসুন পেষ্ট দিতে পারেন। ভালো ভাবে নেড়ে নেড়ে ভাজতে থাকুন। যখন লেগে আসতে শুরু করবে, তখন গরম পানি দিন (পরিমান হবে চালের দ্বিগুন) মাঝে মাঝে নাড়িয়ে দিন। পানি যখন কমে আসবে তখন অর্ধেক চাল উঠিয়ে নিন।

যা লাগবেঃ
পোলাও এর চাল, খাসির মাংস, কাঁচা মরিচ, পেয়াজ, তেল, গরম মসলা, আদা-রসুন পেষ্ট, দই/দুধ।
যেভাবে শুরু করবেনঃ প্রথমে পরিমান মত খাসির মাংস কেটে নিন। ভালো করে ধুয়ে নিয়ে পানি ঝরতে দিন। এবার দই/দুধ (পরিমানটা হবে এমন যাতে সব মাংস ভালোভাবে মাখানো যায়) আর আদা-রসুন পেষ্ট দিয়ে মাংস ভালোভাবে মাখিয়ে নিয়ে একটা বক্সে করে রেখে দিন মেরিনেট করার জন্য। নূণ্যতম দুই ঘন্টা, তবে সারারাত রাখতে পারলে আরো ভালো।
এবার পোলাও এর চাল ধুয়ে নিন। সস্প্যান ধুয়ে নিয়ে চুলায় দিন, তেল দিয়ে হাল্কা আচে পেয়াজ কুচি দিয়ে নাড়তে থাকুন। পেয়াজ এর রঙ বদলানো শুরু করলে এতে দিন (লবনের পরিমানটা হবে পোলাও আর মাংসের জন্য), সামান্য গরম মসল্লা আর কাঁচা মরিচ কেটে দিন। নরম হয়ে আসলে এবার পোলাও এর চাল ঢেলে দিন। এই সময় সামান্য পরিমান আদা-রসুন পেষ্ট দিতে পারেন। ভালো ভাবে নেড়ে নেড়ে ভাজতে থাকুন। যখন লেগে আসতে শুরু করবে, তখন গরম পানি দিন (পরিমান হবে চালের দ্বিগুন) মাঝে মাঝে নাড়িয়ে দিন। পানি যখন কমে আসবে তখন অর্ধেক চাল উঠিয়ে নিন।
প্রবাসের রান্নাঘরঃ কাচ্চি বিরিয়ানী (সাদা রঙের মিশন)
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)

